আনোয়ারার উপকূলে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত লোকালয়

মহিউদ্দীন মনজুর – আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গহিরা এলাকায় পূর্ণিমার প্রভাবে পরিত্যক্ত এক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সহ কাজ করা কিছু বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর কারণে উপজেলার উপকূলের বিস্তীর্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার পরিবার। জোয়ারের পানির স্রোতে রক্ষিত বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ পানিতে ভেসে গেছে পুকুর ও ঘেরের মাছ। পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে উঠতি আউশ ধান ক্ষেত ও আমনের বীজতলা।

স্থানীয়রা জানান, পূর্ণিমার প্রভাবে রবিবার থেকে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়তে থাকে। (০৮) জুন বুধবার জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট বেড়ে যেতে দেখা যায়। প্রায় এক কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ না করার কারণে সেখান দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে লোকালয়ে প্রবেশ করতেছে যেগুলো কাজ করেছে ওখানেও ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভবনা। তারা আরো জানান, যারা বিত্তবান তারা ঘরভিটা ছেড়ে অন্যত্র ভাড়া বাসায় আশ্রয় নিয়েছে।আমরা গরিব বলে নিজের ভিটা ছাড়া কোথাও যেতে পারছিনা।

এতে বাইগ্যারো ঘাট,বাচ্চ মাঝির ঘাট,জেলেপাড়া, বার আউলিয়া,তেলীপাড়া,মালিপাড়া,ফকিরহাট,ঘাটকুলসহ ১০টি গ্রাম নিম্ন এলাকায় সাগরের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়।

আরো দেখা যায়,উপজেলার বার আউলিয়া ও জেলেপাড়া সহ কিছু এলাকায় অতিমাত্রায় জোয়ারে প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন অনেক পরিবার।এছাড়াও জোয়ারের পানিতে উঠতি আউশ ধান ক্ষেত তলিয়ে থাকার পাশাপাশি জোয়ারের স্রোতে অনেক পুকুর ও মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান বলেন,জোয়ারের পানিতে আউশ ধানের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম হলেও তবে পানি নিষ্কাশন না হলে এবং জলাবদ্ধতা স্থায়ী হলে গহিরার দুটি ওয়ার্ডে লবণাক্ত পানি ঢুকার কারণে সামনের মৌসুমে তরমুজত ক্ষেত না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Related posts