কোরবানির পর কিভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন

মোঃ ওমর ফারুক ।। আমাদের আনোয়ারা – আমরাই পরিষ্কার রাখি

আর ১দিন পরেই ঈদুল আজহা। আর এ ঈদের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো পশু কোরবানি। পশু কেনা আর যত্ন-আত্তিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অনেকে।

ঈদুল আজহায় সময় সারা আনোয়ারায় শত শত পশু কোরবানি দেয়া হয়। কিন্তু প্রতি বছরই সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার অভাবে গ্রামে গন্জে সর্বত্র কোরবানির পশুর রক্ত ও উচ্ছিষ্টাংশে মারাত্মক পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হয়। আর বর্জ্য থেকে রোগবালাই ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। এ জন্য কোরবানির পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে আমাদের অবশ্যই নজর দিতে হবে।
পশু জবাইয়ের পর বর্জ্য যদি খোলা জায়গায় পড়ে থাকে তবে তা মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর কারণ হতে পারে। পশুর রক্ত, ঘাস, লতাপাতা, নাড়িভুঁড়ির উচ্ছিষ্ট, বর্জ্য রাস্তায় পড়ে থাকলে তা বাতাসের সাথে জড়িয়ে পড়ে।
আর এই বর্জ্য আমাদের জন্য মারাত্নক স্বাস্থ্যহানি ঘটাতে পারে। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন আপনি। তাই কোরবানি করার পরবর্তী সময়ে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে।
আসুন কোরবানির পরে অবশ্যই করণীয় বিষয়গুলো জেনে নেই।

বর্জ্য অপসারণ
কোরবানির ক্ষেত্রে পশু জবেহ শেষে তার রক্ত ও শরীরের যাবতীয় উচ্ছিষ্ট যথাযথভাবে অপসারণ করা জরুরী। গরু জবাইয়ের গর্তটি মাটি দিয়ে ঢেকে দিন। গর্তের মধ্যে কিছু চুন বা ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক পদার্থ দেয়া যেতে পারে।আর আশেপাশে যদি কোনো বর্জ্য থাকে তাহলে তা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এছাড়া রক্তপানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

নাড়িভুঁড়ির উচ্ছিষ্ট
পশুর দেহ থেকে নাড়িভুঁড়ির উচ্ছিষ্ট (অর্ধহজমযুক্ত খাদ্য/গোঘাষি) বের করে যত্রতত্র ফেলে দিলে তা পচে মারাত্মক দুর্গন্ধ ছড়াবে এবং পরিবেশ দূষিত হয়ে বিভিন্ন রোগ ছড়াবে। তাই যথাযথ স্থানে ফেলতে হবে।

গরম পানি
যে স্থানটিতে পশু জবায় করবেন ওই স্থানটি সম্ভব হলে গরম পানি ঢেলে পরিষ্কার করতে পারেন অথবা ঠান্ডা পানি হলেও চলবে। তবে পানি দিয়ে স্থানটি পরিষ্কার করার পর অবশ্যই ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে দিতে হবে। তাহলে দূর্গন্ধ ছড়াবে না এবং জীবনুমুক্ত হবে।

সেভলন
বর্জ্য পরিষ্কারের পরে যে কাজটি করতে হবে সেটি হোল আপনার হাত, পা ও সারা শরীর ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। পরিস্কারের জন্য সেভলন ব্যবহার করতে পারেন।

Related posts

Leave a Comment