কবে শেষ হবে বটতলী রুস্তম হাটের যানজট !!??

মোহাম্মদ করিম || আনোয়ারা তথা চট্টগ্রামের অত্যন্ত একটি প্রসিদ্ধ গ্রামের নাম বটতলী । বার আউলিয়ার সম্রাট হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়ার পবিত্র মাজার শরীফ এই গ্রামে হওয়ার ফলে পরিচিতি হয়েছে ব্যাপক।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তকুলের আগমন, তাদের চাহিদা অনুসারে এখানে গড়ে উঠেছে ঐতিহাসিক রুস্তম হাট । যেখানে মানুষ হর-হামেশা নিজেদের প্রয়োজনীয় সকল পণ্য কেনা বেচা করতে পারেন।

ইদানিং কালে এই রুস্তম হাটের সবচেয়ে বড় ভোগান্তির নাম যানজট ।

সরেজমিনে সারা আনোয়ারা জরিপ করে যানজটের কারণ সমূহ বের করেছেন।

১। এখানে সব সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সকল জিনিসপত্র পাওয়া যায়,যার কারণে আশে পাশের ইউনিয়ন বরুমচড়া, জুইদন্ডী, রায়পুর, বারশত সহ অনেক গ্রামের মানুষের সমাগম হয় নিত্যদিন। মোহছেন আউলয়া(রহঃ) মাজার শরীফ জেয়ারতের উদ্দেশ্যে দেশের দূর-দূরান্ত হতে প্রায় সময় ভক্তকূলের আগমন।

২। বটতলী রস্তমহাটে রয়েছে একটি বাস স্টেশনের সাথে সাথে অনেক গুলো সিএনজি স্টেশন। বাজারের যতটুক জায়গা গাড়ি পার্কিং এর জন্য প্রয়োজন তা অপ্রতুল। ধারণ ক্ষমতার অধিক সংখ্যাক গাড়ি হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে হর-হামেশা।

৩। ফুটপাত দখল । বিশেষ করে বাজারের মাজার মূখী রাস্তার পাশে যেন অলিখিত মাছের বাজার।

৪। ড্রাইভারদের মধ্যে ঘা্ড় ত্যাড়া স্বভাবের কিছু ড্রাইভার রয়েছে যারা আইন কিংবা নিয়মের তোয়াক্কা করেনা আবার মাঝে দেখা যায় বড় বড় মালবাহী ট্রাক গুলো বাজারের ভিতর ঢুকে চাক্তাইয়ের মতো অবস্থা সৃষ্টি করে ইচ্ছে মতো গাড়ি পার্কিং করে যানজটের সৃষ্টি করে এইক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত বাজার নিয়ম শৃংখলা নিয়ন্ত্রনের জন্য নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যেও স্বজন প্রীতিও দেখতে পায়।

প্রতিকারের উপায় –

– এই যানজট একেবারে নির্মূল সম্ভব নয় তবে এটি কমানো অসম্ভব নয়।
– যানজট কমানোর প্রথম উপায় হলো চালকদের সচেতন হতে হবে এবং সাথে সাথে অযাচিত ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে।
– আন্তরিক এবং কঠোর হতে হবে আইন শৃংখলা তথা গাড়ি সমূহ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের।
– গাড়ি পার্কিং এর জন্য জায়গা সম্প্রসারণ করতে হবে।

সর্বোপরি পথচারী, চালক ভাই এবং কর্তৃপক্ষেরর সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে দূর হতে পারে বটতলী বাজারের দুর্ভোগ।

Related posts

Leave a Comment