ইরান আমেরিকার এয়ারবেইজ ক্যাম্পে মিসাইল ছুড়তে শুরু করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

ইরান, ইরাকে অবস্থিত আমেরিকার এয়ারবেইজ ক্যাম্পে মিসাইল ছুড়তে শুরু করেছে।

সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরাকের মার্কিন দুই সেনাঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। বুধবার ভোরে (৮ জানুয়ারি) ইরাকের ওই দুই সেনাঘাঁটিতে এক ডজনেরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান- এমন তথ্য জানিয়েছে পেন্টাগন।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, যে মার্কিন কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এই হামলার পরে আইন আল-আসাদ বিমানবন্দরে ইরাকিদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, এক ইরাকি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে। তবে এক ব্যক্তি নিহত বা আহতের তথ্য পাওয়া গেলেও তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে ইরাকের আল-আসাদ নামের ওই বিমান ঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি রকেট হামলা করে। হোয়াইট হাউস পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছে। তবে এ রকেট হামলায় কেউ হতাহত হয়েছে কিনা, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টেফানি গ্রিশাম বলেছেন, ‌ইরাকের একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবরের ব্যাপারে আমরা সচেতন রয়েছি। প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে অবহিত হয়েছেন এবং তিনি গভীরভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে আলোচনা করছেন।
ইরানের রেভ্যুলশনারি গার্ড জানিয়েছে, সোলেইমানির হত্যাকাণ্ডের বদলা হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
‘আমেরিকার সব সহযোগীদের আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি, যারা তাদের ঘাঁটিগুলোকে এ সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে দিয়েছে, যেখান থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো হবে, সেটাই লক্ষ্যবস্তু করা হবে, ইরানের ইরনা নিউজ এজেন্সিতে একটি বিবৃতিতে বলেছে বাহিনীটি।
গত শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারের স্থপতি হিসেবে পরিচিত কুদস ফোর্সের শীর্ষ এ জেনারেলকে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়।
মঙ্গলবার জেনারেল কাসেম সোলেইমানির জানাজায় পদদলিত হয়ে অন্তত ৩৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ইরানি এই জেনারেলের নিজ শহর কেরমানে দাফনের আগে অনুষ্ঠিত জানাজার সময় পদদলনের ঘটনা ঘটে। পদদলনের এ ঘটনার পর তার দাফন স্থগিত রাখা হয়েছে।

Related posts