আনোয়ারায় নিখোঁজের তিনদিন পর রহস্যময় লাশ পাওয়া সেই মহিলার খুনি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি – আনোয়ারা দক্ষিণ চাতরী বদুতালুকদার বাড়ি মৃত মোঃ নুরুচ্ছফার স্ত্রী প্রকাশ রাশেদার মা ছকিনা খাতুন (৬০)নিখোঁজ তিনদিন পর যে লাশ পাওয়া যায় , তাকে খুন করা তাকে খুন করা হয়েছে বলে খুনি স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে। ১৪দিন পরে খুনি গ্রেফতার করে হয়ছে ।

খুনি জাকির হোসেন বৈদ্য (২৮) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গল বার রাতে ঘটনার ১৪ দিন পর পুলিশ ঘাতক জাকির হোসেন বৈদ্য কে সন্দেহ জনক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসলে সে পুলিশের কাছে খুনের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করে। গতকাল বুধবার বিকালে তার বিরোদ্ধে হত্যা মামলার এজাহার দায়ের করেছে নিহতের পুত্র আজাদুল হক।

আনোয়ারা থানা ও মামলার এজাহার সূত্রে জানাযায়, সিলেট জেলার বিশ্বনাথ থানার দৌলতপুর ইউনিয়নের আমির আলী চেয়ারম্যান বাড়ীর মৃত রইছ আলীর পুত্র জাকির হোসেন প্রকাশ জাকির বৈদ্য ১০ বছর আগে এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করে। এর পর সে চট্টগ্রামে এসে বিভিন্ন জায়গায় দিন মজুরের কাজ করে। এরই মাঝে তার সিলেটের বিবাহীত স্ত্রী মারা গেলে তার পুত্র সন্তানের খবর সে রাখেনি।

৫ বছর আগে উপজেলার কাফকো সেন্টারে রাজ মিস্ত্রীর জোগালী হিসেবে কাজ শুরু করে। এরই সাথে জাড়ফুঁঁকের কাজ দিয়ে বৈদ্য হিসেবে পরিচিতি লাভের চেষ্ঠা চালায়। জাকিরের সাথে স্থানীয় এক গার্মেন্টস কর্মীর সম্পর্ক গড়ে উঠলে তাকে বিয়ে কখব, ২ বছর ধরে ছখিনা বেগমের বোনের বাড়ীতে ভাড়া বাসায় থাকত। ওখানে তার স্ত্রী ও এক পুত্র রয়েছে। ভাড়া বাসায় থাকার সুবাদে ছখিনা বেগমের পরিবারের সাথে জাকির হোসেনের চেনাজানার সম্পর্ক গড়ে উঠে।

ঘাতক জাকিরের অভিযোগ, ছখিনা বেগম তার স্ত্রী ও তার নামে পাড়া মহল্লায় র্দূনাম রটাতেন। এই কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ছখিনা বেগমকে মারার পরিকল্পনা গ্রহণ করে সে।
আনোয়ারা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল মাহমুদ জানায়,পুলিশের অনুসন্ধানে দেখা যায় জাকির একাদিক অপরাধের সাথে জড়িত ছিল। গত ২৫ এপ্রিল ছকিনা বেগমের মৃত দেহ উদ্ধার করার পর ঘঠনার সার্বিক বিবেচনায় সন্ধেহ তৈরী হলে লাশ ময়না তদন্ত শেষে একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়। পরে জাকিরের গতি বিধি সন্ধেহ হলে গত মঙ্গল বার রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদেও জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। এর পর সে পুরো ঘটনা স্বীকার করে। তিনি আরো জানান, জাকিরের তথ্য মতে সে ছখিনা বেগমের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে পার্শবর্তী নির্জন এলাকা গোবরের স্তুপে ফেলে দিয়ে আসে। হত্যার পর তার কানের দুল গুলো নিয়ে চৌমুহনী বাজারের এক দোকানে বিক্রি করে দেয় । গতকাল পুলিশ তাও উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য গত ২২শে এপ্রিল বুধবার রাতের ৮টার সময় ঘর থেকে বের হয় ঘরের পাশের বাড়িতে যাবে বলেন।
এর পর রাতে আর ঘরে ফির নি তারপর অনেক খুঁজাখুজির পর ২৫শে এপ্রিল শনিবার তিনদিন পরে খুব রহস্য জনক লাশ পাওয়া যাই বাড়ীর পিছনের দিকে
ডেইরি খামার পাশে ড্রেনে।

Related posts