কোরবানীর ঈদের প্রাণ-জুড়ানো পানীয় “তেঁতুলের শরবত”

শাহনাজ বেগম

সারা আনোয়ারা
১৪-০৮-‘১৯ ইং

গ্লাসের কালো রঙে-এর তরল টুকু দেখে কোক ভেবে ভুল করবেন না যেন।এটা তেঁতুল-এর শরবত।

আল্লাহ্-র সন্তুষ্টির জন্য আমরা ঈদ-উল-আযহা-তে পশু কোরবানী করি।কোরবানীর পশু হিসাবে আমাদের দেশে সাধারনত গরু এবং ছাগল- এই দুটি গৃহপালিত পশুই জনপ্রিয় বেশি।

অনেকেই বিভিন্ন রকম শারিরীক সমস্যার কারনে গরু বা খাসির মাংস খেলে টেনশনে থাকেন- সমস্যা বেড়ে যায় কিনা।কিন্তু কোরবানী বলে কথা।মাংস তো খেতেই হবে।

উচ্চ রক্তচাপ,ডায়বেটিস,এ্যালার্জি,হাই-কোলেস্ট্রল,গ্যাস্ট্রিক,কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি নানান রোগে যারা ভুগছেন- তারা রেড মিট খেলে বিড়ম্বনায় পড়তে পারেন।তাই তাদের জন্যই বিশেষ এই পানীয়।মাংস খাওয়ার পর তেঁতুলের শরবত পান করুন।কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন।

পুরানো তেঁতুল পরিমান মতো পানিতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে দিন।এবার এই তেঁতুল জলে সামান্য বিট-লবন মিশিয়ে নিন।এবার ভালোভাবে গুলিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন।রক্তে সুগার বেশি না থাকলে শরবতে হালকা চিনি বা অন্য সুইটনার যোগ করতে পারেন।আর যদি ঝালের ঝাঁঝও পেতে চান, তবে একটু খানি গোল মরিচের গুড়াও মিক্সড করতে পারেন।ব্যাস- তৈরি হয়ে গেল টক-মিষ্টি স্বাদের অসাধারণ উপকারি পানীয় -তেঁতুলের শরবত।
এই শরবত খেলে শরীরের toxic elements বের হয়ে যায়।হজমের সমস্যা দূর হয়।ডায়বেটিস,উচ্চ রক্তচাপ,কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলেস্ট্রল ও ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।

তবে এই শরবত অতিরিক্ত সেবন করা ঠিক না।
ব্লাড-প্রেশার বেশি low হয়ে যেতে পারে।দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্হ হয়।তাই সকলে মাংস সহ সব ধরনের রিচফুড পরিমিত খান।সুস্থ থাকুন।

Related posts